মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম

কক্সবাজারে জামাই শ্বশুরের শক্তিশালী ইয়াবা সিন্ডিকেট!

সিসিএন
  • আপডেট সময় রবিবার, ৫ মে, ২০১৯
  • ১৩৭ বার পঠিত

সিসিএন রিপোর্ট।

কক্সবাজারের বাস টার্মিনাল এলাকায় আবারও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে মরণ নেশা ইয়াবা ব্যবসা। প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

কক্সবাজারে বাস টার্মিনাল এলাকার জহিরের পুত্র টোকাই কবির । বিভিন্ন সময় গ্রেপ্তার হলেও কিছু দিন পর জামিনে বের হয়ে যায়। এবং সে নিজেক শ্রমিকলীগ নেতা দাবি করে। তার রয়েছে বিশাল সিন্ডিকেট তার সেন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসা। বর্তমানে ইয়াবা ও অস্ত্র সহ গ্রেফতার হয়ে কারান্তরিন লাল মোহাম্মদের নাতি ও লাল মোহাম্মদের ছেলে আবুল কালাম, জহির সিন্ডিকেটের অন্যতম কারবারী এই টোকাই করিব।

বাস টার্মিনালসহ আশে পাশের বিভিন্ন বস্তিতে চলে টোকাই কবিরের মাদক ব্যবসা। বিভিন্ন মামলার আসামি হয়েও পুলিশের সাথে রয়েছে তার সুসম্পর্ক যার কারণে সে প্রকাশ্যে চালায় ইয়াবা ও বিভিন্ন মাদক ব্যবসা। বিভিন্ন এলাকায় পাইকারী ও খুচরা ইয়াবা বিক্রি করে এলাকার যুব সমাজকে নষ্ট করে দিচ্ছে বলে গোপন সূত্রে খবর পাওয়া যায় ।

বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে টোকাই কবির আত্মগোপনে গেলেও তার মরণ নেশা ইয়াবা বানিজ্য থেমে নেই। জানা যায়, টোকাই কবিরের অবর্তমানে তার  ব্যবসার হাল ধরেছেন তার শ্বশুর আবুল হাশেম!

প্রসাশনের চোখকে ফাঁকি দিতে গড়ে তুলেছেন অনুমোদনহীন আইসক্রিম ফ্যাক্টরি। অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে দেদারসে বানাচ্ছেন আইসক্রিম।  গরমের তৃষ্ণা মেটাতে স্কুলের কোমলমতি শিশুরা এই নোংরা আইসক্রিম খেয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে জানা গেছে।

আইসক্রিমের গায়ে দেশের নামিদামি ব্র্যান্ডের স্টিকার লাগালেও মূলত  সেখানে বিষাক্ত কেমিক্যাল, সেকারিন, মেয়াদোত্তীর্ণ সেমাই, পচা কলা ও ময়দা  দিয়ে আইসক্রিম বানানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বানানো আইসক্রিমগুলো ছোট ছোট ভ্যান গাড়িতে ভাগ করে বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা সরবরাহ করে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, আবুল হাশেমের মেয়ের জামাই টোকাই কবির একজন তালিকা ভুক্ত ইয়াবা কারবারি।টোকাই কবির দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে গড়ে তোলেন সম্পদের অঢেল পাহাড়। কক্সবাজার ঝিলংজার পূর্ব লার পাড়ায় রয়েছে একটি দ্বিতল বাড়ি। তার আরো ৪টি স্ত্রী রয়েছে। তাদের দিয়েও ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

তার স্ত্রী ও সন্তানের নামে উখিয়া -টেকনাফ ও কক্সবাজার -চকরিয়া মহাসড়কে দুইটি যাত্রীবাহী মিনি বাস,কয়েকটি পোলট্রি ফার্ম ,৩টি সি এন জি সহ বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্টে তার স্ত্রীর নামে রয়েছে মোটা অংকের টাকা।

ইয়াবা কবির জীবন রক্ষার ভয়ে আত্নগোপনে চলে গেলে তার সমস্ত ব্যবসার দেখাশোনার দায়িত্ব নেন তার শাশুড় আবুল হাশেম।টোকাই কবিরের শাশুড় আবুল হাশেম একজন খুবই চালাক ও বুদ্ধিমান প্রকৃতির লোক। নিজের জামাতার এই ইয়াবা ব্যবসা কে প্রসাশন ও জনগনের চক্ষু আড়াল করতে আইসক্রিম বিক্রির পন্থা অবলম্বন করেছেন বলে জানান এলাকাবাসী।

তার এলাকায় তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে মাদক ব্যবসা সহ সমস্ত অপরাধের কাহিনী। উক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন কক্সবাজার বাস টার্মিনালের এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2020 | কক্সবাজার ক্রাইম নিউজ
Theme Customized By Shah Mohammad Robel