পুরো পরিবার সিন্ডিকেট করে দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। খুচরার পাশাপাশি বড় চালান যাচ্ছে চট্টগ্রাম, ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, ওই পশ্চিম লারপাড়া এলাকায় ইয়াবা কেনা বেচা নতুন নয়। বেশ কিছু চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী পারিবারিক সিন্ডিকেট করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে।

সুত্রে আরো জানা গেছে, পারিবারিক ইয়াবা সিন্ডিকেটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রক ছিলো ডাকাতি, ইয়াবা, অস্ত্র সহ অন্তত ১২টি মানলার আসামী মৃত নুর হোসনের ছেলে নুরুল আলম নুরু। তাদের সিন্ডিকেটের আরো সদস্যরা হচ্ছে, তার ভাই মো.ইসলাম, স্ত্রী আয়েশা বেগম ও তার ছেলে সাইরা।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখলে নুরু কিছুদিনের জন্য আত্মগোপনে চলে গিয়েছিল। ক্রসফায়ার আতংকে ছিলো নুরু।

ইয়াবা ও অস্ত্র সহ আটক হয়ে কারান্তরিন ইয়াবা গডফাদার লাল মোহাম্মদের সেকেন্ড ইন কমান্ড নুরুল আলম নুরুই গডফাদার লাল মোহাম্মদের বেশির ভাগ ইয়াবা হজম করতে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন।

কারবারী নুরুকে আটকের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দফায় দফায় অভিযান চালালেও ধরতে পারেনি। ধরাপড়ার ভয়ে ও ক্রসফায়ার আতংকে থাকা নুরু গত কয়েক মাস পূর্বে অস্ত্র ডাকাতি মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে নুরু।

আদালত তাকে কারাগারে পাঠান। স্বইচ্ছা আদালতে আত্মসমর্পন করার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনর হাতে গ্রেফতারে হওয়ার সেই যাত্রায় বেচে যান নুরুল আলম নুরু।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক সুত্র জানান, ইয়াবা কারবারী নুরু কারাগারে যাওয়ার পর থেকে তার ইয়াবা সাম্রাজ্য দখলে নেয় তার ভাই মোহাম্মদ ইসলাম, তার স্ত্রী আয়েশা বেগম ও ছেলে সাইরা। চট্টগ্রাম, ঢাকা সহ বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা কারবারী এনে তাদের সাপ্লাই দেন মো.ইসলাম ও তার স্ত্রী আয়েশা বেগম।

পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, গত দুই মাস আগে মোহাম্মদ ইসলামের স্ত্রী আয়েশা বেগম বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক হন। আটকের পর আয়েশা বেগমকে ২ মাসের কারাদন্ড দেয় ভ্রাম্যমান আদালত।

দীর্ঘদিন আয়েশা বেগম কারান্তরিন থাকার পর সম্প্রতি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পর পুনরায় এ ব্যবসা শুরু করেন। বর্তমানে নুরুল আলম নুরুর রাজ্য তারা চারজনই নিয়ন্ত্রণ করছে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

এরা আগে প্রকাশ্য করলেও এখন ধরন পাল্টিয় ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা যায়। এসব ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পশ্চিম লারপাড়া এলাকায় জায়গা জমি কিনেছে,নির্মাণ করেছে বিলাস বহুল বাড়ি।