মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম

চকরিয়ায় নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও এন্টিসেপটিক জব্দ, জরিমানা ও দোকান সিলগালা

সিসিএন
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৪ জুন, ২০২০
  • ৪৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের বৃহত্তর উপজেলা চকরিয়ায় ওষুধ ও মুদির দোকানে অভিযান চালিয়ে বিপুল নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও এন্টিসেপটিক লিকুইড জব্দ করা হয়েছে। ওই সময় ওষুধ ও মুদির দোকান থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় ছাড়াও একটি দোকান সিলগালা করা হয়।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের পর থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও এন্টিসেপটিক লিকুইডের হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যায়। এ সুযোগে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী নকল স্যানিটাইজার ও এন্টিসেপটিক লিকুইডের ব্যবসা শুরু করে।

এই খবর পেয়ে মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে চকরিয়া পৌরশহরের বিভিন্ন ওষুধ ও মুদির দোকানে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও একটি দোকান সিলগালা করা হয়।

জব্দ করা হয় লকডাউন অমান্য করে সড়কে চলাচলরত সিএনজি-টমটম-ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলের চাবি।

এই অভিযানে সহযোগিতা করেন চকরিয়া থানা পুলিশ, আনসার সদস্য, উপজেলা টেকনিশিয়ান এরশাদুল হকসহ একদল স্বেচ্ছাসেবক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসিআই কোম্পানীর অরিজিনাল স্যাভলন লিকুইড নকল করে চকরিয়া পৌরশহরে হলি কেয়ার নামের একটি অখ্যাত কোম্পানি ‘স্যাভরন’ নাম দিয়ে হুবহু এন্টিসেপটিক লিকুইড বিকিকিনি করছিলো। ওই অখ্যাত কোম্পানী ব্যবসায়ীদের আকৃষ্ট করার জন্য ডিআরএ নাম্বার ব্যবহার করে। ফলে ব্যবসায়ীরা এটি আসল কি নকল তা ধরতে পারেন না।

চকরিয়া পৌরশহরের এক ওষুধের ব্যবসায়ী বলেন, বর্তমানে এসিআই’র তৈরি স্যাভলনের ব্যাপক সংকট। চকরিয়ায় এসিআই তৈরি স্যাভলন কোম্পানির কয়েকটি এজেন্ট থাকলেও তারা তা পৌরশহরে বিক্রি না করে গ্রামীণ বাজারগুলোতে বেশি দামে বিক্রি করছে। যার কারণে এসিআই’র তৈরি স্যাভলন পৌরশহরে নেই বললেই চলে।

এ সুযোগে ‘হলি কেয়ার’ নামের একটি কোম্পানী স্যাভলনের নাম নকল করে ‘স্যাভরন’ নাম দিয়ে বাজারজাত করে আসছিল। এমন কি তারা ডিআরএ নাম্বারও ব্যবহার করেছে। যার কারণে ব্যবসায়ীরা ওই ডিআরএ নাম্বার দেখে ওই স্যাভলন বিক্রি করে আসছেন। আজকে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পর বিষয়টি নজরে আসে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈযদ শামসুল তাবরীজ বলেন, করোনা ভাইরাসের সুযোগে একটি অখ্যাত কোম্পানি স্যাভরণ নাম দিয়ে নকল এন্টিসেপটিক লিকুইড ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করে আসছিল। এ খবর পেয়ে চকরিয়া পৌরশহরের ওষুধের দোকান ও মুদির দোকানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওইসব দোকানের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া দোকানে থাকা ৩০ লিটার হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও ৬০ লিটার এন্টিসেপটিক লিকুইড জব্দ করা হয়।

তিনি বলেন, করোনার বিস্তার রোধে চকরিয়া পৌরসভাকে রেড জোনের আওতায় এনে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এতে লকডাউনের সময় তিন চাকার গণপরিবহণ চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু কিছু কিছু চালক সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় তাদের গাড়ির চাবি জব্দ করা হয়েছে।

এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2020 | কক্সবাজার ক্রাইম নিউজ
Theme Customized By Shah Mohammad Robel