সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১০:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম

পেকুয়ায় ‘বিশেষ ব্যবস্থা’য় ১৪ দিন ‘সবকিছু বন্ধ’ ঘোষণা, তবে লকডাউন নয়

সিসিএন
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৭ জুন, ২০২০
  • ৫৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের উপকূলীয় উপজেলা পেকুয়ায় ‘বিশেষ ব্যবস্থা’য় দুই সপ্তাহের জন্য ‘সবকিছু বন্ধ’ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। গতকাল ২৫ জুন পেকুয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

পেকুয়ায় করোনা সংক্রমণের হার তেমন বেশি না হলেও জনসমাগমপূর্ণ এলাকাগুলো নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যেই এ ঘোষণা দেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে উপজেলা প্রশাসন।

করোনার প্রাদুর্ভাব রোধে গঠিত পেকুয়া উপজেলা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈকা শাহাদাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিকি মারমা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মুজিবুর রহমান, পেকুয়া থানার প্রতিনিধি এসআই আতিকুর রহমান মজুমদার, পেকুয়া উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি এডভোকেট কামাল হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সস্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব আবুল কাশেম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সালামত উল্লাহ খান প্রমূখ।

সভায় জানানো হয়, সপ্তাহের শনিবার ও মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সব রকমের দোকানপাট ও কাঁচাবাজার খোলা থাকবে। বাকি সময় সবকিছু বন্ধ থাকবে। ব্যাংক খোলা থাকবে রবি, মঙ্গল ও বৃহষ্পতিবার। ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষি পণ্যের গাড়ি বিধিনিষেধের বাইরে থাকবে।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল আজম বলেন, ‘উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে পুলিশের পাশাপাশি গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকরা মাঠে থাকবেন। তবে অন্যান্য এলাকার অভিজ্ঞতার আলোকে বন্ধের এই সময়ে স্বেচ্ছাসেবকরা যাতে সুযোগ নিয়ে লোকজনকে হয়রানি করতে না পারে সে ব্যাপারে তাদেরও বিশেষ নজরদারিতে রাখা হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈকা শাহাদাত  বলেন, ‘যেহেতু পেকুয়াকে ‘রেডজোন’ ঘোষণা করা হয়নি, সেহেতু এটাকে ‘লকডউন’ বলা যাবে না। সংক্রমণ ঠেকাতে জনসমাগমপূর্ণ এলাকাগুলো নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যেই আমরা বিশেষ ব্যবস্থায় আগামি দুই সপ্তাহের জন্য সবকিছু বন্ধ ঘোষণা করেছি।’

তিনি বলেন, এই সময়টাতে বাজার এলাকাগুলোতে বিশেষ নজর রাখা হবে।

উল্লেখ্য, মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ১৩৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে তাদের মধ্য থেকে ৯৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। আক্রান্তদের মধ্য থেকে এ পর্যন্ত ৭০ জন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বাকি ২২ জনের মধ্যে ২১ জনই হোম আইসোলেশনে আছেন এবং বাকি ১ জন চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2020 | কক্সবাজার ক্রাইম নিউজ
Theme Customized By Shah Mohammad Robel