শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যাত্রীবেশে উঠে চকরিয়ায় মহাসড়কে চলন্ত বাসে ডাকাতি, দুইজন গুলিবিদ্ধসহ আহত ১৫ খুলে যাবে উপকূলীয় চার উপজেলার সম্ভাবনার দূয়ার মানুষকে অবহেলা-তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না: প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রী চকরিয়ায় অবৈধ বসতি গুঁড়িয়ে দিয়ে এক একর সংরক্ষিত বনভূমি উদ্ধার স্বাস্থ্যবিধি না মানলে প্রয়োজনে কারাদণ্ড দেয়া হবে: জেলা প্রশাসক লকডাউন আর না, সচেতন হোন: সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দিন কক্সবাজারে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ফিল্ড হাসপাতালের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা নিয়ে জেলার ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে সংলাপ যানজট নিরসনের পাশাপাশি মডেল সড়ক হবে কক্সবাজারে শিশু ধর্ষনের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

বুড়িগঙ্গায় লাশের স্তুপ, লঞ্চের ভেতরে আরও

সিসিএন
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০
  • ৪৮ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

একের পর এক লাশ। কিছুক্ষণ পরপরই একেকজন ডুবুরি লাশ নিয়ে পানির ওপর ভেসে উঠছেন। বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবির ঘটনাস্থলে একসঙ্গে ৪-৫ জন ডুবুরি উদ্ধার কাজ করছেন। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, লাশ তুলে তারা যেন শেষ করতে পারছেন না। এখন পর্যন্ত ৩০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন।

সোমবার (২৯ জুন)  সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা দোতালা ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চটি চাঁদপুর থেকে আসা ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় শ্যামবাজার এলাকায় ডুবে যায়। লঞ্চে ৫০ যাত্রী ছিল জানা গেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, লঞ্চে শতাধিক যাত্রী ছিল। দু’টি লঞ্চের সংঘর্ষের পর এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী, নৌপুলিশ, থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা।

ঘটনাস্থলেই ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়েছে, ৩০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছে অসংখ্য। নিখোঁজদের স্বজনরা বুড়িগঙ্গার তীরে এসে ভিড় করেছেন।

রাজ্জাক নামে একজন বলেন, তার বোনজামাই মুন্সীগঞ্জ থেকে সকালে ঢাকায় আসার কথা। এখনও তার কোন সন্ধান পাননি।

সিদ্দিক নামে এক যুবক বলেন, তার মামা কালাম নিখোঁজ। তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

কোস্টগার্ড সদর দফতরের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার হায়াৎ ইবনে সিদ্দিক বলেন, ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের উদ্ধার অভিযান চলমান। এখন পর্যন্ত ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মধ্যে ১৯ জন পুরুষ, ৮ জন নারী ও তিনটি  শিশু রয়েছে।

উদ্ধার কাজে নেতৃত্ব দেওয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার শহীদুল ইসলাম সুমন বলেন, লঞ্চের ভেতরে অনেক লাশ রয়েছ। আমরা শেষ পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালাবো। নদীর নিচে ডুবে যাওয়া লঞ্চটির অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। আমাদের সঙ্গে নৌপুলিশ, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, বিআইডব্লিউটি ও থানা পুলিশ কাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 | কক্সবাজার ক্রাইম নিউজ
Theme Customized By Shah Mohammad Robel