বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বুধবার থেকে গণপরিবহনে ভাড়া ৬০ শতাংশ কার্যকর মহেশখালীতে ৬লাখ ২২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার উখিয়া-টেকনাফ থেকে ৬ষ্ঠ দফায় ভাসানচরের পথে ২৪৯৫ জন রোহিঙ্গা পেকুয়ায় পানিতে ডুবে রোজাদার যুবকের মৃত্যু চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচন: মেয়র প্রার্থী জিয়াবুলের পথসভায় মানুষের ঢল রামুর কচ্ছপিয়ায় যুবলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হেফাজতের হরতাল ঠেকাতে নেতাকর্মীদের নিয়ে দিনভর মাঠে এমপি জাফর আলম উগ্র মৌলবাদীদের রাস্তায় নামিয়ে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা থামানো যাবে না: মেয়র মুজিব রোহিঙ্গাদের ভোটার করায় কক্সবাজারে ৩ কাউন্সিলর গ্রেফতার চকরিয়া পৌর ভোট: মেয়র প্রার্থী জিয়াবুলের ‘জনতার ইশতেহার’ কমসূচি শহরজুড়ে প্রশংসা

কোভিড-১৯ টেষ্টের ফি নির্ধারনের পর চকরিয়ায় কমে এসেছে নমুনা দেয়ার হার

সিসিএন
  • আপডেট সময় বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০
  • ৯৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি

করোনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি নির্ধারণের পর থেকে চকরিয়ায় কমে গেছে নমুনা সংগ্রহের হার। যা অন্যান্য দিনের তুলানায় খুবই নগণ্য। ফি নির্ধারনের কারণে করোনার পরীক্ষা দেয়ার হার কমে গেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৮ জুন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ব্যবস্থাপনা-১ অধিশাখা থেকে কোভিড-১৯ পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি নির্ধারন করে একটি পরিপত্র জারি করেন। এতে উল্লেখ করা হয় কোন উপসর্গ ছাড়াই অধিকাংশ মানুষ এ পরীক্ষার সুযোগ নিচ্ছে।

এমতবস্থায়, কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার নিমিত্তে অপ্রয়োজনীয় কোভিড টেষ্ট পরিহার করার লক্ষ্যে অর্থ বিভাগ গত ১৫ জুন একটি নির্দেশনা জারি করে। এতে আরটি-পিসিআর টেষ্টের ফি নির্ধারন করে। যাতে বুথ থেকে নমুনা সংগ্রহ করলে ২’শ টাকা, বাসা থেকে নমুন সংগ্রহ করলে ৫’শ টাকা এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগির নমুনা সংগ্রহের জন্য ২’শ টাকা ফি দিতে হবে বলে নির্দেশ প্রদান করেন।

১ জুলাই সকাল ১১টার দিকে চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোভিড-১৯ টেষ্টের জন্য নমুনা দিতে এসেছেন ৫০ বছর বয়সি জাহাঙ্গীর আলম। পেশায় সে দিনমজুর। তার কয়েকদিন ধরে জ্বর। ওষুধও খেয়েছেন তারপরও জ্বর কমছেনা। তাই চিকিৎসকের পরামর্শে করোনার টেষ্ট করাতে এসেছেন। তবে টেষ্ট করাতে ২’শ টাকা ফি দিতে হবে শুনে চোখ কপালে উঠেছে।

এসময় তিনি বলেন, জানতাম না টেষ্ট করাতে ফি দিতে হবে। তাই টাকাও আনেনি। বাড়ি থেকে এনে নমুনা দিয়েছি। যদি আমার পজিটিভ রেজাল্ট আসে তাহলে আমার পরিবারের আরো চার সদস্যকেও পরীক্ষা করাতে হবে। তাদের পরীক্ষার জন্য প্রায় ৮’শ টাকা লাগবে। যা আমার জন্য খুব কষ্ট হয়ে যাবে। যদি পরিবার সদস্য ভিত্তিক ফি নির্ধারণ করে দিলে সুবিধা হতো।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টেকনিশিয়ান অপু দেব বর্মন বলেন, ফি নির্ধারনের পর থেকে নমুনা সংগ্রহের হার কমে গেছে। গতকাল ৩০ জুন নমুনা দিয়েছে ১৭ জন আর ১ জুলাই নমুনা দিয়েছে ১৪ জনের মতো।

তিনি আরো বলেন, এখন যারা নমুনা দিতে আসছে তাদের সবার উপসর্গ রয়েছে। ফি নির্ধারনের কারণে অযথা টেষ্ট কমে গেছে।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যাণ কর্মকর্তা আমির হামজা বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে কোভিড-১৯ টেষ্টের জন্য ফি নির্ধারনের পর থেকে নমুনা দেয়ার হার তিন ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। আগে প্রতিদিন যেখানে ৫০-৬০ জন মানুষ নমুনা দিতে আসতো, সেখানে গত দুইদিনে নমুনা দিয়েছে মাত্র ৩১জন মানুষ। তবে তাদের মধ্যে সবার কমবেশি উপসর্গ রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, যখন বিনামূল্যে কোভিড-১৯ টেষ্ট করা হতো তখন দেখেছি অধিকাংশ মানুষ অযথা নমুনা দিয়েছেন। তখন দেখা গেছে যারা প্রকৃত আক্রান্ত তারা নমুনা দিতে পারেননি। আবার এমনও দেখা গেছে একটি পরিবার একাধিকবার টেষ্ট করিয়েছেন। ফি নির্ধারনের কারণে এটা অনেকাংশে কমে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2020 | কক্সবাজার ক্রাইম নিউজ
Theme Customized By Shah Mohammad Robel