মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম

হঠাৎ আত্মগোপনে ইয়াবা কারবারিরা!

সিসিএন
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০
  • ৬২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে একের পর এক ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ী ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হলেও উখিয়ায় দুয়েকটি ছাড়া তেমন কোন নজির নেই। হঠাৎ উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বখতেয়ার আহমদ ওরফে বখতেয়ার মেম্বারসহ একদিনের ব্যবধানে ৪ জন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ার খবরে চমকে দিয়েছে পুরো উপজেলার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের। মুহুর্তের মধ্যেই অনেক চিহ্নিত ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ী আত্মগোপনে চলে গেছেন বলেও সুত্র জানিয়েছেন।

জানা গেছে, করোনাকালিন সময়ে লকডাউন বলবৎ থাকায় প্রশাসন তা বাস্তবায়নে দিন-রাত পরিশ্রম করে গেছে। সারাদেশের মতো লকডাউন কিছুটা শিথিল হলে ব্যাপক হারে বেড়ে যায় ইয়াবা ও মাদক পাচার। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পভিত্তিক মাদক পাচারকারি সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠে। ইতোমধ্যে সীমান্তের বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। এসময় বিজিবি’র হাতে ৬ জন পাচারকারি আটক হয়। একই সাথে রোহিঙ্গাসহ ৭ জন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন তুমব্রু কোনারপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা মৃত জুলুর মুল্লুকের ছেলে নুর আলম (৪৫), উখিয়ার বালু্খালী ১নং ক্যাম্পের গুরা মিয়ার ছেলে মোঃ হামিদ (২৫), কুতুপালং ২নং ক্যাম্পের ছৈয়দ হোসেনের ছেলে নাজির হোসেন (২৫), কুতুপালং এলাকার ইউপি সদস্য বখতিয়ার আহমদ (৫৫) ও কুতুপালং লম্বাশিয়া গ্রামের আবু তাহের (৩৪)। সর্বশেষ শুক্রবার দিবাগত রাতে উখিয়া উপজেলার বালুখালী রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের এইচ ব্লকের মৃত ছৈয়দ আহমদের ছেলে আবদুস সালাম (৩৫) এবং একই ক্যাম্পের হাবিব উল্লাহর ছেলে ফেরদৌস (৩০) নিহত হন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় সচেতন মহল জানান, এক সময় মিয়ানমারে যারা গডফাদার হিসেবে ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায় জড়িত ছিল তারা মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে ২০১৭ সালের পরবর্তী সময়ে এ দেশে পালিয়ে এসে উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের সাথে আগে থেকে ইয়াবা পাচারে লিপ্ত থাকা এখানকার গডফাদারররা পূণরায় সংযোগ স্থাপন করে আবারও পুরোদমে ইয়াবা ও মাদক ব্যবসা করে আসছে।

তাদের অভিমত, ইয়াবা পাচার বন্ধ করতে হলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পভিত্তিক প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি, মোবাইল সার্ভিস বন্ধের পাশাপাশি সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো দরকার বলে মনে করেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2020 | কক্সবাজার ক্রাইম নিউজ
Theme Customized By Shah Mohammad Robel