বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বুধবার থেকে গণপরিবহনে ভাড়া ৬০ শতাংশ কার্যকর মহেশখালীতে ৬লাখ ২২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার উখিয়া-টেকনাফ থেকে ৬ষ্ঠ দফায় ভাসানচরের পথে ২৪৯৫ জন রোহিঙ্গা পেকুয়ায় পানিতে ডুবে রোজাদার যুবকের মৃত্যু চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচন: মেয়র প্রার্থী জিয়াবুলের পথসভায় মানুষের ঢল রামুর কচ্ছপিয়ায় যুবলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হেফাজতের হরতাল ঠেকাতে নেতাকর্মীদের নিয়ে দিনভর মাঠে এমপি জাফর আলম উগ্র মৌলবাদীদের রাস্তায় নামিয়ে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা থামানো যাবে না: মেয়র মুজিব রোহিঙ্গাদের ভোটার করায় কক্সবাজারে ৩ কাউন্সিলর গ্রেফতার চকরিয়া পৌর ভোট: মেয়র প্রার্থী জিয়াবুলের ‘জনতার ইশতেহার’ কমসূচি শহরজুড়ে প্রশংসা

খুটাখালীতে ‘ঘনবসতিপূর্ণ’ এলাকায় খামার নির্মাণ, এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ

সিসিএন
  • আপডেট সময় বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০
  • ৫১ বার পঠিত

চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের কুতুবদিয়াপাড়ায় নীতিমালা উপেক্ষা করে গ্রামের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় খামার স্থাপন করা হয়েছে। হাঁস-মুরগির খামার নির্মাণে সু-নির্দিষ্ট নীতিমালা আছে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং জনগণের ক্ষতি হয় এমন স্থানে খামার স্থাপন করা যাবে না। কিন্তু নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে এক ব্যক্তি লোকালয়ে খামার গড়ে তুলেছে। ফলে খামারটি চালু হলে ওই এলাকার পরিবেশ মারাত্মক ভাবে দূষিত হবে। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে জনজীবন।

খুটাখালী ইউনিয়নের কুতুবদিয়াপাড়ায় এলাকায় লোকালয়ে মৃত ছাবের আহমদের পুত্র শফি আলম নামে একজন গড়ে তুলেছে মুরগি খামারটি। খামারটি সেডের নিমার্ণ কাজ শেষ হয়েছে। খামারটি চারপাশে প্রায় দেড় শতাধিক পরিবারের বসবাস। খামারটি ওই এলাকার মৃত হাজী কালা মিয়ার পুত্র ছৈয়দ আলমের বাড়ি লাগোয়া। এতে এলাকাবাসী চরম ক্ষুদ্ধ হয়েছে।

ছৈয়দ আলম অভিযোগ করেন, ‘খামারটির কার্যক্রম শুরু হলে মুরগির বিষ্ঠার দুর্গন্ধে থাকা অসম্ভব হবে। খামারটি থেকে তাঁর বাড়ির দূরত্ব ১০গজ। আর আশপাশে আরো দেড় শতাধিক পরিবারের বসবাস রয়েছে। খামারটি চালু হলে বর্জ্যেও দূর্গন্ধে বসবাস করা কষ্টকর হবে। এর রোগজীবাণু চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে এবং একই সাথে পরিবেশ দুষণ হয়ে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়বে।’

ছৈয়দ আলম আরো বলেন, ‘খামারের মালিককে একাধিকবার নিষেধ করার পরও দাপট দেখিয়ে এটি নির্মাণ করেছে। এছাড়াও শফি আলমের বসতভিটার গাছপালা আমার ঘরে উপর পড়ে টিন নষ্ট হয়ে যায় ও ইতিমধ্যে গাছ পড়ে বাথরুম ভেঙে গেছে। এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারের কাছে মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল। তারা ব্যবস্থা নেননি। বিষয়টি মিমাংশা না করে অভিযোগটি দীর্ঘদিন বিচারাধীন রেখে দিয়েছে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই এলাকার এক ব্যক্তি বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী একটি মুরগির খামার স্থাপনের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ও প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হতে হবে।

খুটাখালী ইউপির চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বলেন, ‘এবিষয়ে আমি অবগত নই। করোনা ভাইরাসে লকডাউনের সময়ে বিচার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিষয়টি খোঁজ নিলে বিস্তারিত জানতে পারব।’

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, ‘এই সংক্রান্ত কোন অভিযোগ আমার হাতে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2020 | কক্সবাজার ক্রাইম নিউজ
Theme Customized By Shah Mohammad Robel