রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন

পুলিশি ‘নিরাপত্তায়’ ওসি প্রদীপের আত্মসমর্পণ, জনমনে নানা প্রশ্ন

সিসিএন
  • আপডেট সময় শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০
  • ১৪ বার পঠিত

চট্টগ্রাম থেকে পুলিশি নিরাপত্তায় ওসি প্রদীপের কক্সবাজার কোর্টে আত্মসমর্পণ করা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আইনে ৩০২ ধারার মত আমলযোগ্য মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের নির্দেশনা থাকলেও ওসি প্রদীপের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি।

উল্টো তাকে ব্যাপক নিরাপত্তা দিয়ে কক্সবাজার কোর্টে আত্মসমর্পণের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পুলিশের হেফাজতে থাকা ওসি প্রদীপ গ্রেপ্তার না আত্মসমর্পণ করেছে তা নিয়েও সারাদিন ছিল গুঞ্জন। আইনবিদরা মনে করেন, এর মাধ্যমে অভিযুক্তকে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দিনভরই বন্ধ ছিলো ওসি প্রদীপের মুঠোফোন। গুঞ্জন ছড়ায় তিনি কি পালিয়ে গেছেন? অসুস্থতার অজুহাতে এই সুযোগে প্রদীপ ভর্তি হন নিজ জেলা চট্টগ্রামের বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে। সেখান থেকে অনেকটা ভিআইপি প্রোটকলে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় কক্সবাজার আদালতে। কিন্তু তখনো গ্রেফতার বা আটক না করে তাকে ‘পুলিশি হেফাজতে’ নেবার কথা জানানো হয় গণমাধ্যমে।

নানা কারণে আলোচিত সমালোচিত ছিলেন ওসি প্রদীপ। টেকনাফে কাজ শুরু করতে না করতেই একের পর এক ক্রসফায়ার, এমনকি প্রকাশ্যে মাদককারবারিদের বাড়িতে গায়েবি হামলা ও অগ্নিসংযোগের হুমকিও দিতেন প্রদীপ।

সিনহা কাণ্ডের পর ওসি প্রদীপ আলোচনায় তো ছিলেনই, আবারও গুঞ্জন চলছে তাকে কি আত্মসমর্পণের সুযোগ করে দিলো পুলিশ? দেশের প্রচলিত আইন মতে, আসামী আত্মসমর্পণ করলে মামলা পরিচালনার সময় বাড়তি সুবিধে পায় সে।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার জোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, অনেকের মধ্যেই ধারণা যে পুলিশ প্রদীপকে গ্রেফতার করে নাই, পুলিশ বলেছে প্রদীপ আত্মসমর্পণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে তাই আদালতে নিয়ে তাকে আত্মসমর্পণ করানো হয়েছে। তাহলে ভবিষ্যতে তাকে সুবিধা দেয়ার জন্য কি এসব করা হয়েছে, এটা কি আইনে আছে কিনা?

আইনজীবীরা বলছেন সিনহা হত্যাকাণ্ডের বিচারের বিচারিক প্রক্রিো স্বচ্ছভাবে হওয়া উচিত। এতে বিচার বহির্ভূত হত্যাবন্ধে আরো একধাপ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2020 | কক্সবাজার ক্রাইম নিউজ
Theme Customized By Shah Mohammad Robel