বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বুধবার থেকে গণপরিবহনে ভাড়া ৬০ শতাংশ কার্যকর মহেশখালীতে ৬লাখ ২২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার উখিয়া-টেকনাফ থেকে ৬ষ্ঠ দফায় ভাসানচরের পথে ২৪৯৫ জন রোহিঙ্গা পেকুয়ায় পানিতে ডুবে রোজাদার যুবকের মৃত্যু চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচন: মেয়র প্রার্থী জিয়াবুলের পথসভায় মানুষের ঢল রামুর কচ্ছপিয়ায় যুবলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হেফাজতের হরতাল ঠেকাতে নেতাকর্মীদের নিয়ে দিনভর মাঠে এমপি জাফর আলম উগ্র মৌলবাদীদের রাস্তায় নামিয়ে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা থামানো যাবে না: মেয়র মুজিব রোহিঙ্গাদের ভোটার করায় কক্সবাজারে ৩ কাউন্সিলর গ্রেফতার চকরিয়া পৌর ভোট: মেয়র প্রার্থী জিয়াবুলের ‘জনতার ইশতেহার’ কমসূচি শহরজুড়ে প্রশংসা

সিনহা হত্যা মামলা: ঘটনা চোখেও দেখেনি পুলিশের সাক্ষীরা

সিসিএন
  • আপডেট সময় শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০
  • ৩১ বার পঠিত

পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা নিহতের ঘটনা সর্ম্পকে কিছুই জানেন না পুলিশের দাযেরকৃত অস্ত্র ও মাদক মামলার দুই পাবলিক স্বাক্ষী। তাদের মতে সিনহা হত্যাকাণ্ড চোখেও দেখেননি, কানেও শোনেননি। কিন্তু হয়েছেন ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার সাক্ষী। পুলিশ তাদের ডেকে নিয়ে সাদা কাগজে সই দিতে বলেছেন। কিসের জন্য এই স্বাক্ষর নেয়া হচ্ছে তা পুলিশ তাদেরকে বলেনি।

তাদের দাবি, এক প্রকার ভয়েই পুলিশের কথা মত সাদা কাগজে সই করে বনে গেছেন দেশের আলোচিত হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর মামলার ঘটনার সাক্ষী। পুলিশের উল্লেখিত তিন সাক্ষীর মধ্যে দুজনেই এমন তথ্য দিয়েছেন।

পুলিশের দায়েরকৃত মামলার এজাহার মতে, মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহতের ঘটনায় অস্ত্র ও ইয়াবার পৃথক যে দুইটি মামলা থানায় রেকর্ড হয়েছে সেখানে পুলিশ সদস্য ছাড়াও সাক্ষী করা হয়েছে স্থানীয় তিনজনকে। তারা হলেন টেকনাফের মারিশবুনিয়ার নুরুল আমিন, মো আইয়াস ও মোহাম্মদ হামিদ।

মামলার এক নম্বর সাক্ষী নুরুল আমিন সাংবাদিকদের কাছে জানান, সিনহা হত্যাকাণ্ড নিজের চোখে কিছুই দেখেননি তিনি। পাশাপাশি শুনেছেনও অনেক পরে। যে সময় শুনেছেন ওই সময় সিনহার কোনো আলামতও ঘটনাস্থলে ছিল না।

একইভাবে মামলার আরেক সাক্ষী মারিশবুনিয়ার মো. আইয়াস সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে ডেকে নেয়া হয় আমিনসহ তাকে। পরের দিন সকালে টেকনাফ থানায় নিয়ে স্বাক্ষর করানো হয় সাদা কাগজে।

আইয়াস আরো বলেন, আমি স্বেচ্ছায় সাক্ষী দিই নাই। জোর করে অনেকগুলো কাগজে সই করাইছে পুলিশ। কিন্তু প্রতিবাদ বা জিজ্ঞেস করার সাহস ছিল না। কারণ জানতে চাইলেই হয়তো আসামি করে দিত। তাই কথা না বাড়িয়ে অনেকগুলি কাগজে এক সঙ্গে স্বাক্ষর নিয়েছে থানা পুলিশ। পরে দুপুরের দিকে পুলিশের অনুমতি নিয়ে চলে আসি। এদিকে বর্তমান সময়েও উপরোক্ত সাক্ষীরা ভয়ের মধ্যে আছেন বলে জানান তারা।

তবে মেজর (অব.) সিনহা রাশেদের নিহতের ঘটনায় বর্তমান টেকনাফ থানার দায়িত্বে থাকা (পরিদর্শক তদন্ত) এবিএমএস দোহাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন, সিনহা নিহতের ঘটনা নিয়ে পুলিশ ও তাদের পরিবারের দায়ের করা মামলা নিয়ে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও একটি উচ্চতর টিম তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সুতারাং সমস্ত অভিযোগ অনুযোগ শুনে তদন্তকারী কর্মকর্তারা সঠিক ব্যবস্থা নেবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2020 | কক্সবাজার ক্রাইম নিউজ
Theme Customized By Shah Mohammad Robel