মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বাঁকখালী নদীতে নৌকা ভ্রমণে নিখোঁজ দুই যুবক পদ্মায় বসল ৩৩তম স্প্যান, দৃশ্যমান ৫ কিমি নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমের কুমির বিদেশে রফতানির পরিকল্পনা ঈদগাঁহতে মুক্তিযোদ্ধা ছুরুত আলম সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনে এমপি কমল চকরিয়ায় উপজেলা আ.লীগের উদ্যোগে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালিত চকরিয়ায় ৪৬ পূজা মণ্ডপে নিরাপত্তায় প্রস্তুত প্রশাসন করোনায় শিশুদের ঘরেই পড়া চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ব্যবসায়ী ও পুলিশের মুখোমুখি সংঘর্ষ। সাংবাদিক সহ আহত ১০ : আটক ৮ টেকনাফে বিট পুলিশিং সমাবেশে ‘নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন রোধে সামাজিক পরিবর্তন গড়ে তুলতে হবে’ কক্সবাজারে মাদক ও নারী নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ব্যবসায়ী ও পুলিশের মুখোমুখি সংঘর্ষ। সাংবাদিক সহ আহত ১০ : আটক ৮

সিসিএন
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩ বার পঠিত

উচ্চ আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে কক্সবাজারের কলাতলী সুগন্ধা পয়েন্টের ৫২টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। উচ্ছেদের সময় ব্যবসায়ী ও পুলিশের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আধাঘন্টা ব্যাপি ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ফাঁকা গুলি বর্ষণ, টিয়ারশেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে সাংবাদিক, পুলিশ ও ব্যবসায়ী সহ ১০ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় ৮ জন ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বিকাল সাড়ে ৩ টায় বুলডোজার দিয়ে দোকানপাটগুলো গুড়িয়ে দেয়ার সময় ব্যবসায়ীরা কফিনের কাপড় পড়ে বিক্ষোভ করলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শেষ পর্যন্ত ৫২টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আবু জাফর রাশেদ জানান, এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল নোটিশ প্রদান করে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ১৬ এপ্রিল হাইকোর্টে রীট দাখিল করেন ব্যবসায়ীরা। উচ্ছেদ স্থগিতাদেশ প্রদান করে রুল জারি করে আদালত। সরকার পক্ষের আপিলের প্রেক্ষিত গত ১ অক্টোবর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে উচ্ছেদের আদেশ প্রদান করা হয়। এ রায়ের প্রেক্ষিতে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্টরা বৃহস্পতিবার উচ্ছেদ অভিযান নামে। অভিযানের প্রথম দিন দুপুর ২ টার মধ্যে মালামাল সরিয়ে নেয়ার আহবান জানানো হয়। কিন্তু ব্যবসায়ী আরো বেশি সময় চাইলে শনিবার পর্যন্ত সময় দেয়া হয়। শনিবার দুপুরে দ্বিতীয় দফায় উচ্ছেদে নামে প্রশাসন। এসময় বাঁধা প্রদান করেন ব্যবসায়িরা। তারা কফিনের কাপড় পড়ে রাস্তায় বিক্ষোভ করেন। কিন্তু আপিল বিভাগের নির্দেশ পালন করতে প্রশাসন ব্যবসায়ীদের সহায়তা চেয়ে দফায় দফায় মাইকিং করেন। এক পর্যায়ে বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে প্রশাসন উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করলে এতে বাঁধা প্রদান করা হয়। পুলিশ ধাওয়া করলে শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। এ সময় ব্যবসায়ীরা তিন দিক থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে সাংবাদিক সহ অন্তত ১০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁকা গুলি, রাবারবুলেট ও টিয়ারশেল ছুঁড়ে। প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলমান ছিল। পুলিশের শক্ত অবস্থান ও প্রতিরোধের মুখে বিক্ষোভকারী ব্যবসায়ীরা পিছু হঠলে শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান। অভিযানে ধারাবাহিকভাবে ৫২ টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে অভিযানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

কক্সবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পংকজ বড়ুয়া জানান, সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান এবং হামলা ঘটনায় মামলা করা হবে। এর মধ্যে ঘটনাস্থল থেকে ৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 | কক্সবাজার ক্রাইম নিউজ
Theme Customized By Shah Mohammad Robel