শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন

সেন্টমার্টিন দ্বীপে আটকা পড়েছে ৪ শতাধিক পর্যটক

সিসিএন
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৩ বার পঠিত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে দেশের সমুদ্র উপকূলকে ৩নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এতে বন্ধ রয়েছে কক্সবাজারের সঙ্গে সেন্টমার্টিন দ্বীপের জাহাজ চলাচল।

ফলে বুধবার (২১ অক্টোবর) ও তার আগের দিন সেন্টমার্টিনে বেড়াতে গিয়ে থেকে যাওয়া প্রায় ৪ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। তাদের অনেকেই বৃহস্পতিবার ফিরে আসার কথা ছিল।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানিয়েছেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। বুধবার দুপুরে আবহাওয়া অফিস থেকে সমুদ্র উপকূলকে ৩ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হলে সেন্টমার্টিন দ্বীপে যারা বেড়াতে আসেন তাদের জাহাজে করে কক্সবাজারে চলে যেতে মাইকিং করা হয়।

কিন্তু অনেকেই সংকেত উপেক্ষা করে সেন্টমার্টিন দ্বীপে থেকে যান। বর্তমানে দ্বীপে প্রায় চার শতাধিক পর্যটক বিভিন্ন রিসোর্টে রয়েছেন। তারা নিরাপদে রয়েছেন। তাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। সাগরের পরিস্থিতি ভালো হলে তারা নিরাপদে কক্সবাজারে ফিরে যেতে পারবেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপটি আরো ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরো ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়াসহ ভারি বৃষ্টি হতে পারে। এজন্য সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত এবং নদীবন্দরের মধ্যে কিছু এলাকায় ২ এবং কিছু এলাকায় ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। লঘুচাপটি উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরো ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি এখন পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

দ্বীপে পর্যটকরা নিরাপদে রয়েছেন উল্লেখ করে টেকনাফ মডেল থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, সেন্টমার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকদের খোঁজ-খবর রাখতে দ্বীপের পুলিশ ফাঁড়িকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দ্বীপের বাসিন্দা নুর মুহাম্মদ বলেন, সাগর উত্তাল ও বৈরি আবহাওয়ায় কক্সবাজার থেকে জাহাজ না আসায় দ্বীপে চার শতাধিক পর্যটক অবস্থান করছেন। এর মধ্যে গত বুধবার ৩ শ জনের একটি পর্যটক দল তিন দিনের ভ্রমণে আসেন সেন্টমার্টিনে। তবে পর্যটকরা বিভিন্ন হোটেলে নিরাপদে আছেন। সাগর স্বাভাবিক হয়ে গেলে পর্যটকরা ফিরে যাবেন। তাছাড়া সকাল থেকে দ্বীপে ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সেন্টমার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকরা যাতে হয়রাণির শিকার না হয়, সেদিকে খোঁজ-খবর রাখা হচ্ছে। বৈরি আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে পর্যটকরা ফিরবেন।

এদিকে কক্সবাজার থেকে কর্ণফুলী এক্সপ্রেস নামে একটি পর্যটবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি ফেলেও এখন পর্যন্ত টেকনাফ থেকে কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি পায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2020 | কক্সবাজার ক্রাইম নিউজ
Theme Customized By Shah Mohammad Robel