শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০১:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম

সিনহা হত্যার ৭ আসামী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‍্যাব হেফাজতে

সিসিএন
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০
  • ১৮ বার পঠিত

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার ৭ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগার থেকে নিয়ে গেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন–র‍্যাব। আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে ৭ আসামিকে নিয়ে যায় র‍্যাব।

আসামীরা  হলেন পুলিশের বরখাস্তকৃত এএসআই লিটন মিয়া,কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন। অন্য ৩ আসামীরা পুলিশের করা মামলার সাক্ষী ও মেজর সিনহা হত্যা মামলার সন্দেহভাজন টেকনাফের মারিশবনিয়া গ্রামের মো. আয়াছ, নুরুল আমিন ও নাজিম উদ্দিন।

গত বুধবার ১২ আগষ্ট  সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টেকনাফ আদালত এই ৭ আসামিকে র‍্যাবের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেল সুপার মোকাম্মেল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আজ সকাল ১০টার দিকে র‍্যাবের কয়েকটি গাড়ি কারাগারে আসে। পরে চার পুলিশসহ সিনহা হত্যা মামলার ৭ আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগার থেকে নিয়ে যায় র‍্যাব।
একই মামলার অন্য ৩ আসামী টেকনাফ মডেল থানার সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও থানার এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

র‍্যাব কর্মকর্তারা জানান, এই ৭ আসামীর জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হওয়ার পরই ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দ দুলাল রক্ষীতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে তাদেরও ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিল আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টেকনাফ আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক তামান্না ফারাহ্ এই হত্যা মামলায় ৪ পুলিশসহ সাত আসামীকে ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে এই ৪ পুলিশ সদস্যকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। সেই জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ায় তাঁদের ১০ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে র‍্যাব। আদালত এই ৪ পুলিশ সদস্যকে সাত দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন। একই সঙ্গে পুলিশের করা মামলার ৩ সাক্ষীরও সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা। এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2020 | কক্সবাজার ক্রাইম নিউজ
Theme Customized By Shah Mohammad Robel